যে আমলটি রসুল (সা.) জীবনে কখনো ছাড়েননি, সেই আমলটি অধিকাংশ মানুষ আমরা জীবনে একবারও করিনি। সেই অবহেলিত আমলটির নাম ইতিকাফ।সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে আমাদের মনো...
আরও পড়ুন
যে আমলটি রসুল (সা.) জীবনে কখনো ছাড়েননি, সেই আমলটি অধিকাংশ মানুষ আমরা জীবনে একবারও করিনি। সেই অবহেলিত আমলটির নাম ইতিকাফ।সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে আমাদের মনোযোগ অত্যন্ত বিক্ষিপ্ত। ফেসবুকের রিলসের মতোই আমাদের ভাবনাগুলো ক্রমাগত দৌড়াতে থাকে। মনোযোগ দিয়ে কোনো লেখা পড়ার, কিংবা কোনো বিষয় নিয়ে ভাবার অবকাশ আমাদের হয় না।এ কারণে দু রাকাত নামাজও পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে খুব কম মানুষই আমরা পড়তে পারছি। এই চরম অস্থিরতা থেকে নিজেকে খুঁজে পেতে ইতিকাফ এক অনন্য মাধ্যম হতে পারে।ইতিকাফ এসব দুনিয়াবি ব্যস্ততা ও কোলাহল থেকে মুক্ত করে একান্তভাবে মহান আল্লাহর দিকে মনোনিবেশ করার সুযোগ করে দেয়। এই ইবাদতটি মূলত নিজের গুনাহ, আখিরাত এবং মহান রবের সঙ্গে সম্পর্ক গভীরভাবে উপলব্ধির এমন সুযোগ, যা জীবনে খুব কমই আসে।সিয়াম যেমন আমাদের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে শেখায়, ইতিকাফ তেমনি আমাদের আত্মাকে আল্লাহর ঘরে বেঁধে ফেলে আধ্যাত্মিক উন্নতির চূড়ান্ত শিখরে নিয়ে যায়। এটি রাসুল (সা.)-এর এক গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত ও তার জীবন্ত আদর্শ, যা রমাদানের ইবাদতকে পূর্ণতা দান করে।
আরও পড়ুন
হে আল্লাহ, যুগের ফেরাউন-নমরুদদের দম্ভ চূর্ণ করে ধূলায় মিশিয়ে দিন।
আরও পড়ুন
একে তো জুমার দিন বাদ আসর দোয়া কবুলের সময়। আবার ইফতারের পূর্ব মুহূর্তও দোয়া কবুলের ক্ষণ।এভাবে, দোয়া কবুলের দুটি পবিত্র মুহূর্ত একাকার হয়ে মিশে যায় এই স...
আরও পড়ুন
একে তো জুমার দিন বাদ আসর দোয়া কবুলের সময়। আবার ইফতারের পূর্ব মুহূর্তও দোয়া কবুলের ক্ষণ।এভাবে, দোয়া কবুলের দুটি পবিত্র মুহূর্ত একাকার হয়ে মিশে যায় এই সময়ে।তাই, ইফতারের ব্যস্ততা যেন এই সময়ে আমাদের দোয়াকে ভুলিয়ে না দেয়।মহান আল্লাহ আমাদের সিয়াম-কিয়ামকে কবুল করুন, সিয়াম সাধনার মাধ্যমে তাকওয়া অর্জনের তাওফীক দান করুন।
আরও পড়ুন
নতুন চাঁদের রোশনিতে শুরু হলো মুমিন-জীবনের বহু আকাঙ্ক্ষিত মাস, পবিত্র মাহে রমাদান। আহলান, সাহলান শাহরু রমাদান।আসুন, এই মাসের প্রতিটি মুহূর্তকে ইবাদতের...
আরও পড়ুন
নতুন চাঁদের রোশনিতে শুরু হলো মুমিন-জীবনের বহু আকাঙ্ক্ষিত মাস, পবিত্র মাহে রমাদান। আহলান, সাহলান শাহরু রমাদান।আসুন, এই মাসের প্রতিটি মুহূর্তকে ইবাদতের জন্য ব্যয় করি। তাকওয়া ও কুরআনের আলোয় হৃদয়কে আলোকিত করি। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে রমাদানের গুরুত্ব অনুধাবন করে একটি সার্থক রমাদান কাটাবার তওফীক দান করুন।
আরও পড়ুন
ছাত্র জীবনে বই ছাড়া ডানে-বামে তাকাতাম না বলে আমার এক শিক্ষক বলেছিলেন—এই ছেলে জিন নাকি!'ঈমানের অপরিহার্য পাঠ' বইটি লিখতে গিয়ে, ফেলে আসা সেই কিতাবমুখর দ...
আরও পড়ুন
ছাত্র জীবনে বই ছাড়া ডানে-বামে তাকাতাম না বলে আমার এক শিক্ষক বলেছিলেন—এই ছেলে জিন নাকি!'ঈমানের অপরিহার্য পাঠ' বইটি লিখতে গিয়ে, ফেলে আসা সেই কিতাবমুখর দিনগুলো আবার যেন ফিরে এসেছে জীবনে।লেখার প্রয়োজন এত বিপুল সংখ্যক বই ও রচনার কাছে আমাকে নিয়ে গেছে—জীবনের এই মাঝবেলায় আমি যেন নতুন করে ‘বইপাগল’ ছাত্র হয়ে উঠেছি।দেড় বছর আগে শুরু করা এই বইটির জন্য গত কয়েক মাস প্রায় গৃহবন্দি ছিলাম। পাহাড়কাটা পরিশ্রমের পর অবশেষে স্বপ্নের বইটি আপনাদের হাতে ওঠার জন্য প্রায় প্রস্তুত।অবশ্য প্রাথমিক পর্যায়ে পরিকল্পনা ছিল ভিন্ন। ‘ঈমানের অপরিহার্য পাঠ’ নয়, বরং সামগ্রিক ইসলামকে জানার জন্য যা যা প্রয়োজন, তা এক মলাটে আনতে কাজ শুরু করেছিলাম। যা পূর্বে এক পোস্টে আপনাদেরকে জানিয়েও ছিলাম। কিন্তু লেখার সমুদ্রে ডুব দিয়ে নতুন নতুন বিস্ময় ও অনুসন্ধানের মুখোমুখি হই। ফলে, বইটির কলেবর বেড়ে যেতে থাকে। তাই প্রথম ধাপে শুধু ঈমানের অংশ নিয়ে ‘ঈমানের অপরিহার্য পাঠ’ নামে বইটি প্রকাশ করার পরিকল্পনা করি। লেখা শেষ হয়ে যা এখন প্রকাশের প্রক্রিয়ার ভেতর রয়েছে। বইটিতে ঈমানের মৌলিক বিষয়সমূহ তুলে ধরার পাশাপাশি কুরআন ও হাদিসের আলোকে ঈমান-পরিপন্থী নিত্য-নতুন কুফর ও নিফাকের লক্ষণগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করেছি। সেই সাথে সময়ের সংশয় ও সংকটসমূহকে সামনে রেখে প্রসঙ্গের ফাঁকে ফাঁকে ঈমানের প্রয়োজনীয়তা ও সুফলের ওপর আলোকপাতের চেষ্টা করেছি।বইটির নাম প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছেন প্রায় সত্তর হাজার মানুষ। আপনাদের এই স্বতঃস্ফূর্ত সাড়াদানে আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। অবশেষে 'ঈমানের অপরিহার্য পাঠ' নামটাই চূড়ান্ত করা হলো।ঈমানের পর ইসলামের ইবাদত, আখলাক, লেনদেন ইত্যাদি বিষয়েও স্বতন্ত্র বই আপনাদের হাতে তুলে দিতে যাচ্ছি ইনশাআল্লাহ। সবার কাছে দোয়া কামনা করি—মহান আল্লাহ এই বইটিকে কবুল করেন, আমাদের ঈমান শেখা, ঈমান পুনর্মূল্যায়ন ও নাজাতের মাধ্যম বানান। আমীন।
আরও পড়ুন
হে আল্লাহ, এই জমিনের জন্য তুমি কল্যাণের ফায়সালা করো।
আরও পড়ুনইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রশ্নে আমরা 'হ্যাঁ' এর পক্ষে। একইসাথে সেই সংস্কার সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রেখে...
আরও পড়ুনইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রশ্নে আমরা 'হ্যাঁ' এর পক্ষে। একইসাথে সেই সংস্কার সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রেখে কার্যকর করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো প্রকার ব্যত্যয় যেন না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে চূড়ান্ত সংস্কার কার্যক্রমে প্রতিনিধিত্বশীল আলেমদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা নির্বাচিত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত হবে।হ্যাঁ ভোট মানে শুধু পরিবর্তন নয়—হোক মূল্যবোধ অক্ষুণ্ন রেখে পরিবর্তনের অঙ্গীকার।
আরও পড়ুন
কুরআন ও হাদিসে কেন বারবার শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ ও শয়তানের ধোঁকা থেকে বেঁচে থাকতে সতর্ক করা হয়েছে—এপস্টেইনের ঘটনা আমাদের সামনে সেই বাস্তবতাকে চোখে আঙুল...
আরও পড়ুনকুরআন ও হাদিসে কেন বারবার শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ ও শয়তানের ধোঁকা থেকে বেঁচে থাকতে সতর্ক করা হয়েছে—এপস্টেইনের ঘটনা আমাদের সামনে সেই বাস্তবতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। শয়তানের অন্যতম মূল হাতিয়ার হলো যৌনতা। ইসলাম শুধু যিনা-ব্যভিচার নিষিদ্ধ করেনি; বরং যিনার ধারে-কাছেও যেতে কঠোরভাবে বারণ করেছে। কারণ যৌ*ন অপবিত্রতার মাধ্যমে শয়তান বেশি তুষ্ট হয়। এপস্টেইনের পাশবিক যৌনাচার ও বিচিত্র রকমের অমানবিক কর্মকাণ্ড মূলত সেই শয়তানতুষ্টি ও শয়তানি উপাসনা-আরাধনার স্পষ্ট রূপ। এ কারণেই যে সব কাজ শয়তানতুষ্টির কারণ হয়, মহান আল্লাহ আমাদের সেসব পথ থেকে সর্বদা বেঁচে থাকতে সতর্ক করেছেন।
আরও পড়ুন
এপস্টেইন ফাইল একটি কেলেঙ্কারি নয়; এটি সভ্যতার আয়না। এই আয়নার মাধ্যমে আমরা পশ্চিমা সভ্যতার বিভৎস চেহারাটা আবারো দেখে ফেললাম।মানবাধিকার, নারী স্বাধীনতা...
আরও পড়ুনএপস্টেইন ফাইল একটি কেলেঙ্কারি নয়; এটি সভ্যতার আয়না। এই আয়নার মাধ্যমে আমরা পশ্চিমা সভ্যতার বিভৎস চেহারাটা আবারো দেখে ফেললাম।মানবাধিকার, নারী স্বাধীনতা ও উদারনীতির দাবিদার পশ্চিমা বিশ্ব আসলে কী গভীর নৈতিক অধঃপতনের মধ্যে নিমজ্জিত, তার এক মর্মন্তুদ দলিল এই ফাইল। রাষ্ট্রনায়ক, শিল্পপতি, ক্রীড়া ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব থেকে শুরু করে সংস্কৃতির নামকরা মুখগুলো—যাদেরকে অনেকে সম্মান ও অনুসরণ করে— শিশু পা*চা*র, যৌ*ন নি*র্যা*তন, মা*নব**মাং*স ভ*ক্ষ*ণের অভিযোগসহ জঘন্য ও বীভৎস সব অপরাধের সাথে জড়িত ছিল। পশ্চিমা সংস্কৃতি ব্যক্তিস্বাধীনতার নামে চরম ভোগবাদ ও নৈতিকতাহীনতাকে প্রশ্রয় দিয়েছে। এরই পরিণতি হিসেবে আমরা দেখি পারিবারিক বন্ধনের ক্ষয়, লজ্জা-সম্মানবোধের অবলুপ্তি এবং এক অন্ধকার বাণিজ্যের জগৎ, যার প্রতিচ্ছবিই ফুটে উঠেছে এপস্টেইন কেলেঙ্কারিতে। আল্লাহর ভয়হীন সমাজ যত ঝকঝকে তকতকে হোক, সুযোগ থাকলে ভোগবাদী মানুষ ধীরে ধীরে কোন স্তরে পৌঁছুতে পারে, এই ঘটনা তারই চাক্ষুষ প্রমাণ।তবে এপস্টেইনের ঘটনাটাকে স্রেফ বিকৃত মানসিকতা থেকে উৎসারিত বলা কঠিন। খোলা চোখে যেগুলোকে বিকৃত মানসিকতার প্রকাশ বলে মনে হয়, সেগুলো পরিকল্পিতভাবে শয়তানতুষ্টির প্রচেষ্টার রিচুয়াল। এত বিপুলসংখ্যক মানুষ একত্রে ও ধারাবাহিকভাবে এমন জঘন্য পাশবিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে, একে কেবল মানসিক বিকৃতি বলে ব্যাখ্যা করা কঠিন। বিকৃত মানসিকতার পাশাপাশি এতে শয়তানি উপাসনা ও আরাধনার এক সুসংগঠিত রূপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। পশ্চিমারা আমাদের ঈমান-আমল ও দ্বীনি রিচুয়াল নিয়ে উপহাস করে মূলত আমাদের আধ্যাত্মিক শক্তি দুর্বল করেছে। পক্ষান্তরে তারা তাদের স্যাটানিক রিচুয়ালিটি ঠিকই বজায় রেখে চলছে।এই অন্ধকার বাস্তবতার বিপরীতে ইসলাম মানুষকে প্রবৃত্তির দাসত্ব থেকে মুক্ত করে বিবেক, দায়িত্ববোধ ও আল্লাহভীতির মাধ্যমে একটি সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ গঠনের শিক্ষা দেয়। ইসলামে নারী সম্মানিত, শিশু সুরক্ষিত, পরিবার পবিত্র দূর্গ। ইসলামে নৈতিকতা রক্ষার জন্য রয়েছে আইনি ও আধ্যাত্মিক উভয় বেষ্টনী।এই ঘটনা আমাদের সামনে সভ্যতার সংজ্ঞা নিয়ে মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপন করে। আমরা কোন সংস্কৃতি বেছে নেব—যে সংস্কৃতিতে ভোগই শেষ কথা, নাকি যে সংস্কৃতিতে মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতা প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করে? আমরা কি স্যাটানিক রিচুয়াল গ্রহণ করবো, নাকি মহান আল্লাহর সাথে পবিত্র সম্পর্ক গভীর করার পথে হাঁটব?
আরও পড়ুন
প্রবাসীদের জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে সুদমুক্ত ঋণ দেয়ার দাবি তুলেছিলাম। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বিষয়টি বাস্তবায়নের চেষ্টা ক...
আরও পড়ুনপ্রবাসীদের জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে সুদমুক্ত ঋণ দেয়ার দাবি তুলেছিলাম। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বিষয়টি বাস্তবায়নের চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছিলেন। আমরা আনন্দিত যে, তিনি যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন এবং এক মাসের মধ্যেই প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে শরিয়াহ উইং চালুর ঘোষণা দিয়েছেন। তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। এতে প্রবাসীদের জন্য সুদমুক্ত ঋণের পথ কিছুটা হলেও সুগম হবে ইনশাআল্লাহ।অবশ্য আমরা প্রথমে শরিয়া উইং চালুর দাবি করলেও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন আয়োজিত প্রবাসীদের অনুষ্ঠান থেকে সর্বশেষ দাবি ছিল প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে প্রবাসীদের জন্য সম্পূর্ণ সুদ বা মুনাফামুক্ত ঋণ কার্যক্রম চালু করার। আশা করি, পরবর্তী ধাপে সে উদ্যোগ নেয়া হবে।আপাতত শরিয়াহ উইং খোলার ঘোষণাটি দ্রুত বাস্তবায়নের অনুরোধ জানাচ্ছি সংশ্লিষ্টদের প্রতি।
আরও পড়ুন
- ১